চট্টগ্রাম বাংলাদেশের একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান বা বাণিজ্য এলাকা।এখানে বিভিন্ন কোম্পানি আছে। যেমন সিমেন্ট ফ্যাক্টরি। সেখানে প্রচুর শ্রমিক কাজ করে। বিভিন্ন জেলা থেকে সেখানে জীবিকা অর্জনের জন্য তারা কাজ করে আসছে। তাই তাদের ছুটিতে বাড়ি আসার জন্য ট্রেন বেশি পছন্দ করে। তাই তূর্ণাএক্সপ্রেস ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার জন্য একটি জনপ্রিয় ট্রেন। এই নিবন্ধ আপনি জানতে পারবেন তূর্ণা এক্সপ্রেসের ট্রেনের সময়সূচী এবং টিকিটের মূল্য। এটি রাত্রে চলে, এইজন্য মানুষ এটিকে নাইট কুইন নামেও পরিচিত। আমরা এক্সপ্রেস নামে ও জানি। এই ট্রেনটি বাংলাদেশ রেলওয়ে দ্বারা পরিচালিত।
অন্যান্য পরিবহনের তুলনায় ট্রেনে যাতায়াত অনেক আরামদায়ক যাত্রা। এতে অল্প সময় লাগে আবার ট্রেনের টিকিটের মূল্য ও কম আছে। তাই আপনি কি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা,এবং ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যেতে চান। তাহলে তূর্ণা এক্সপ্রেস অবশ্যই একটি ভালো ট্রেন আপনি পছন্দ করবে। আপনার যাত্রা শুরু করার আগে আপনার সময়সূচী, টিকিটের মূল্য এবংবিরতি গুলো জানা উচিত। এইগুলো জানার জন্য নিবন্ধটি ভালোভাবে পড়ুন।
ট্রেন যাত্রা অনেক সহজ হয়ে গেছে। কেননা এতে অল্প সময় লাগে। তাছাড়াও যাত্রীদের সুবিধা অনুযায়ী ট্রেনের সিট বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।এজন্য সব শ্রেণীর লোক যাতায়াত করতে পারে। তাই আপনার ট্রেন যাত্রা শুরু করার জন্য আপনি একটি সঠিক ধারণা পাবেন।এই নিবন্ধ পড়ার পরে আপনি নিজেকে জিজ্ঞাসা করার জন্য অন্য কোন প্রশ্ন খুঁজে পাবেন না।
তূর্ণা এক্সপ্রেস এর বৈশিষ্ট্য?
এই রুটে অনেক ট্রেন পাওয়া যায় কিন্তু তূর্ণা এক্সপ্রেস এর মধ্যে সেরা। এটি ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটে একটি বিলাস বহুল ট্রেন। এটি সেখানে প্রথম শ্রেণীর আন্তঃনগর ট্রেন। এটিতে অনেক সুবিধা রয়েছে যা আপনাকে মুগ্ধ করবে। যেমন, প্রার্থনা কক্ষ, নিরাপত্তা সেবা, খুব ভালো পরিবেশ খাবার খাওয়া, পাবলিক টয়লেট ও সেখানে পাওয়া যায়। এগুলো ছাড়া অন্যান্য সুবিধা ও রয়েছে।
তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী
সময়সূচী না জেনে আপনি নিখুঁত সময়ে ভ্রমণের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে পারবেন না। ফলাফল হবে, ট্রেন হারানো বা অন্য ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করা। তাই সবার আগে আপনাকে সময়সূচী জানতে হবে। এরপরে আপনার আরোও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা দরকার। এখানে তূর্ণা এক্সপ্রেস এর সম্পূর্ণ সময়সূচী নিছেন টেবিলে দেওয়া হল।
তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ঢাকা থেকে
ঢাকা হল তূর্ণা এক্সপ্রেসের প্রধান স্টেশন। রাতের বেলা চট্টগ্রামে যাত্রা শুরু করে। যারা রাত্রে বেলা যেতে চায় তাদের জন্য উপযুক্ত হবে। এটা রাত ১১:৩০ মিনিটে যাত্রা শুরু করে। এবং দীর্ঘ সময় পর সকাল ৬:২০ মিনিটে গন্তব্য স্থানে পৌঁছে যায়। তাদের ছুটির দিন, যখন আপনি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যেতে চান তখন ট্রেনের নাম্বার ৭৪২ হয়। ট্রেনের অবস্থান চেনার জন্য এই নাম্বারটি প্রয়োজন।
চট্টগ্রাম থেকে তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী
আপনি কি চট্টগ্রাম থেকে এসেছেন এবং ট্রেনে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের মধ্যে অন্য কোন স্টেশন যেতে চান। ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী এবং চট্টগ্রাম ও বাংলাদেশের একটি সুপরিচিত বিভাগ। যেখানে অনেক মানুষ আছে। তাদের অনেক জায়গায় যেতে হবে যদি আপনি তাদের মধ্যেই একজন হন। তারপর আপনাকে এই বিশেষ সময়সূচী জানতে হবে, তূর্ণা এক্সপ্রেসের চট্টগ্রাম থেকে যাত্রা শুরু করে মধ্য রাত টায়। ৬ ঘন্টা পরে এটি খুব ভোর ৫:২৫ এ পৌঁছে যায়। সেই সময়ে আপনার ট্রেনের নাম্বার ৭৪১ এ পরিবর্তিত হবে এবং এ ট্রেনের এর কোন ছুটির দিন নেই। আপনি প্রতিদিন যাত্রা করতে পারেন।
তূর্ণা এক্সপ্রেসের সাবস্টেশন বা (থামানোর স্থান)
আরেকটি বিষয় যে কখনো মানুষ এক স্টেশন থেকে থেকে যাত্রা শুরু করে অন্য স্টেশনে নেমে যায়। বিশেষ করে স্থানীয় লোকজন। তাদের এই বিশেষ করে তূর্ণা এক্সপ্রেসের সময়সূচী এবং ভাড়া জানা উচিত। যাতে আমি এই নিবন্ধ ট্রেনের নাম,থামানোর স্থান, সময় সবকিছু অন্তর্ভুক্ত করেছি। আপনি যদি এই গুলো থেকে আপনার যাত্রা শুরু করতে চান। তবে আপনাকে আপনার সময় সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ প্রত্যেকটি স্টেশন ৫থেকে ১০ মিনিটের জন্য থামে।
- ফেনী স্টেশন
- লাকসাম স্টেশন
- কুমিল্লা স্টেশন
- ব্রাক্ষ্মনবাড়িয়া স্টেশন
তূর্ণা এক্সপ্রেস আসন পরিকল্পনা
বাংলাদেশ রেলওয়ে স্টেশন অনুসারে প্রতিটি ট্রেনের বিভিন্ন ধরনের আসন রয়েছে। যেমনঃ তূর্ণা এক্সপ্রেস চারটি ভিন্ন ধরনের ট্রেনের সিট রয়েছে। এখানে তালিকা দেওয়া হল।
- Ac Berth
- First Berth
- Snigdha Chair
- Shuvon Chair
এই তালিকা মধ্যে এসি ব্যর্থ মানের ট্রেনের টিকিট সবচেয়ে ব্যয়বহুল এবং দ্বিতীয়টির হল প্রথম এর দাম ৭৫৫ টাকা। আর সর্বনিম্ন মানের আসন হল শোভন চেয়ার, যার মূল্য জন প্রতি ৩৬৫ টাকা।
তূর্ণা এক্সপ্রেসের ট্রেনের টিকিট মূল্য
টিকিট মূল্য প্রতিটি যাত্রায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অন্যদের মতো ট্রেন তূর্ণা এক্সপ্রেসেরটিকিটের মান ভিন্ন এবং, এই ট্রেনের সিটের মানের উপর নির্ভর করে প্রতিটি টিকিটের মূল্য। আমি আগেই বলছি, এর চার ধরনের আসন আছে। তাই এর মানে হল চার ধরনের টিকিট আছে। নিচের অংশে আমি সব আসনের শ্রেণি ও তাদের মূল্যসহ অন্তর্ভুক্ত করেছি।আপনার কোন আসন প্রয়োজন তা পছন্দ করুন।
আপনি বাংলাদেশ রেলওয়ে ওয়েবসাইট অ্যাপ্লিকেশন থেকে অনলাইনে টিকিট কিনতে পারেন। তূর্ণাএক্সপ্রেস ছাত্র এবং শিশুদের এজন্য অর্ধেক মূল্য প্রদান করে। এটি এই ট্রেনের আরেকটি সুবিধা।
সুতরাং পরিশেষে বলা যায় যে,এটি ছিল তূর্ণা এক্সপ্রেসের ট্রেনের সময়সূচী এবং টিকিটের মূল্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ নিবন্ধন। আমি আশা করি এই বিষয়ে আপনার কোন সন্দেহ এবং বিভ্রান্তি নেই। আপনার যদি অন্য কোনো প্রশ্ন বা ভুল বুঝাবুঝি থাকে তবে নিচে মন্তব্য করুন। আমি আপনার জিজ্ঞাসা সম্পর্কে আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব। আপনাকে ধন্যবাদ।
আরো পড়ুন: ঢাকা থেকে খুলনা ট্রেনের সময়সূচী ও টিকেট মূল্য-2021
